শীল হচ্ছে সমস্ত কুশল ধর্মের আদি। শীল রক্ষাকবচ। মানবজীবনে শীল অমূল্য সম্পদ। শীল পালন ব্যতীত নিজেকে কখনো নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না। জীবনকে সুন্দর পথে পরিচালিত করা যায় না। নৈতিক জীবনযাপন করা যায় না। শীল পালন না করলে বিচার, বিবেচনা ও বুদ্ধি লোপ পায়। নিজের এবং অপরের মঙ্গল ও কল্যাণসাধনে শীলের মতো আর কিছুই নেই। শীল পালনের মাধ্যমে মন শান্ত হয়। মন শান্ত হলে সকল প্রকার অনৈতিক কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখা যায়। এই শীল মানুষকে মহান ও শ্রেষ্ঠ করে তোলে। শীল পালনের মাধ্যমে পরিবারে যেমন শান্তি-শৃঙ্খলা বৃদ্ধি পায়, তেমনিভাবে পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সম্ভাবও সুদৃঢ় হয়। এর মাধ্যমে সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। যা কুশল, সত্য এবং সুন্দর তা সবই শীলে রয়েছে। যাঁরা নিজের জীবনকে মহৎ করে তুলেছেন, তাঁরা সবাই শীল পালন করেছেন। সুতরাং শীল পালনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
অনুশীলনমূলক কাজ |
Read more